ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ১৭ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
Logo ঝিনাইগাতীতে বন্য হাতির আক্রমনে কৃষক আহত Logo ”স্মৃতিতে রবে চিরদিন ” (সালমান শাবনূর অমর জুটি) Logo শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষি ঋণ মেলা অনুষ্ঠিত Logo ডোমারে রুপসা ট্রেনের সাথে মিতালী ইঞ্জিনের মুখোমুখি সংর্ঘষ Logo আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে বই বিতরন অনুষ্ঠিত হয় Logo দিনাজপুরে সড়কে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর Logo টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তি মেলা অনুষ্ঠিত Logo সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পদক পেলেন মোজাম্মেল হোসেন বাবু Logo কালিহাতিতে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছে হামিদপুরের ব্যাটারী বাবলু সাহা Logo দিনাজপুরের বিরলে পূর্ণ ভবা নদীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার চার দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ
বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

পথ পেতেই বিতর্কিত প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ।

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২
  • / ৪১০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে বেশ কিছু বিতর্কিত প্রার্থীদের পদে আসা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ দেখা গেছে। এ নিয়ে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে খোব দেখা দিয়েছে। গত জুলাই মাসে এ অঞ্চলের আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের পর থেকে পদে আসতে নেতারা বিভিন্ন মাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

নগর সূত্রে জানা যায়, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সভাপতি পদে ৭ জন্য ও সম্পাদক পদে ১২ জন্য প্রার্থী হিসেবে সিভি জমা দিয়েছেন। এদের মাঝে অনেকেই বিতর্কিত। প্রার্থীদের অনেকের নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, চাকুরীজীবি ও বিএনপি ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে নামে-বেনামে নগর নেতাদের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে।

মো. হারুন খান ও কুদ্দুস মাতব্বর সম্পর্কে শালক দুলাভাই। রাজনৈতিক মাঠেও তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও কাজ একসাথে চলে। দু’জন ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জায়গা দখল করে এই শালাক দুলাভাই। মাস তিন‌ এক আগে ২০ নাম্বার রোড একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধোর ও দোকান ভাঙচুর করে ওই জায়গা থেকে থেকে উঠিয়ে দেয়। অসহায় ঐ নারী বিভিন্ন মহলে সুষ্ঠু বিচার দাবি জানালেও কেউ কর্ণপাত করেনি। অন্য আরেকজন সভাপতি প্রার্থী মো. আজিজুল হক আজি। রাজনীতির সমঝোতায় ছোট ভাই ইউনিট বিএনপি’র সম্পাদ পদে দায়িত্বে, আর বড় ভাই ওয়ার্ড আওয়ামী সভাপতি হতে চায়। এইসব সভাপতি প্রার্থীদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যদিও ওই ওয়ার্ডে সভাপতি প্রার্থী আবুল হোসেন প্রধান। প্রয়াত তুরাগ থানা নেতা আশীর্বাদের দুষ্টু ছিলেন এই নেতা। অনেকেই বলছেন বরাবরই তিনি ত্যাগী পরিশ্রম। যদিও বেশ কিছু পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীর দৌরঝাপ তদবিরে অতিষ্ঠ মহানগর আওয়ামী লীগ। তিনি পেশায় একজন চাকরিজীবী। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক জসীম উদ্দীন মাহমুদ পলাশ। রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও প্রভাব ও আধিপত্য ফোনে ফোনে। চাকুরীর বিধিমালা অমান্য করেই ক্ষমতাসীন রাজনীতিতে জড়িয়েছেন এই কর্মকর্তা। বারডেমে চাকরি সুবাদে উচ্চপদ রাজনীতিবিদদের হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা সুযোগ করে দিয়ে আস্থা অর্জন করে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব রত আছেন।

এ বিষয়ে জসিম মাহমুদ পলাশকে ফোন দিলে তিনি প্রতিবেদকে বলেন, ২০০১ সালে বারডেম জেনারেল হাসপাতালে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে সহকারী পরিচালক পদে আছেন। তিনি স্থায়ী না অস্থায়ী ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে জড়িত আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি বারডেম হাসপাতালে স্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথেও তিনি সম্পৃক্ত কথাটি স্বীকার করেন। এছাড়াও প্রতিবেদক কে চায়ের আমন্ত্রণ জানান।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ফজলুল রহমান প্রতিবেদককে জানান, যারা সন্ত্রাস চাঁদাবাজির সাথে জড়িত তাদের দলে কোন জায়গা নেই। এছাড়াও যারা চাকরিতে কর্মরত আছে তারাও মূল পদে আসতে পারবেনা। অনেকেই অনেক পরিচয় আমাদের কাছে গোপন রেখে সিভি দিয়েছে। আমরা সবার খোঁজ খবর নিচ্ছি। যারা মূলধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ঠিক তারাই কমিটিতে থাকবে বলে জানান এই নেতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পথ পেতেই বিতর্কিত প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ।

আপডেট সময় : ০৫:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে বেশ কিছু বিতর্কিত প্রার্থীদের পদে আসা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ দেখা গেছে। এ নিয়ে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে খোব দেখা দিয়েছে। গত জুলাই মাসে এ অঞ্চলের আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের পর থেকে পদে আসতে নেতারা বিভিন্ন মাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

নগর সূত্রে জানা যায়, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সভাপতি পদে ৭ জন্য ও সম্পাদক পদে ১২ জন্য প্রার্থী হিসেবে সিভি জমা দিয়েছেন। এদের মাঝে অনেকেই বিতর্কিত। প্রার্থীদের অনেকের নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, চাকুরীজীবি ও বিএনপি ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে নামে-বেনামে নগর নেতাদের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে।

মো. হারুন খান ও কুদ্দুস মাতব্বর সম্পর্কে শালক দুলাভাই। রাজনৈতিক মাঠেও তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও কাজ একসাথে চলে। দু’জন ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জায়গা দখল করে এই শালাক দুলাভাই। মাস তিন‌ এক আগে ২০ নাম্বার রোড একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধোর ও দোকান ভাঙচুর করে ওই জায়গা থেকে থেকে উঠিয়ে দেয়। অসহায় ঐ নারী বিভিন্ন মহলে সুষ্ঠু বিচার দাবি জানালেও কেউ কর্ণপাত করেনি। অন্য আরেকজন সভাপতি প্রার্থী মো. আজিজুল হক আজি। রাজনীতির সমঝোতায় ছোট ভাই ইউনিট বিএনপি’র সম্পাদ পদে দায়িত্বে, আর বড় ভাই ওয়ার্ড আওয়ামী সভাপতি হতে চায়। এইসব সভাপতি প্রার্থীদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যদিও ওই ওয়ার্ডে সভাপতি প্রার্থী আবুল হোসেন প্রধান। প্রয়াত তুরাগ থানা নেতা আশীর্বাদের দুষ্টু ছিলেন এই নেতা। অনেকেই বলছেন বরাবরই তিনি ত্যাগী পরিশ্রম। যদিও বেশ কিছু পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীর দৌরঝাপ তদবিরে অতিষ্ঠ মহানগর আওয়ামী লীগ। তিনি পেশায় একজন চাকরিজীবী। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক জসীম উদ্দীন মাহমুদ পলাশ। রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও প্রভাব ও আধিপত্য ফোনে ফোনে। চাকুরীর বিধিমালা অমান্য করেই ক্ষমতাসীন রাজনীতিতে জড়িয়েছেন এই কর্মকর্তা। বারডেমে চাকরি সুবাদে উচ্চপদ রাজনীতিবিদদের হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা সুযোগ করে দিয়ে আস্থা অর্জন করে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব রত আছেন।

এ বিষয়ে জসিম মাহমুদ পলাশকে ফোন দিলে তিনি প্রতিবেদকে বলেন, ২০০১ সালে বারডেম জেনারেল হাসপাতালে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে সহকারী পরিচালক পদে আছেন। তিনি স্থায়ী না অস্থায়ী ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে জড়িত আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি বারডেম হাসপাতালে স্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথেও তিনি সম্পৃক্ত কথাটি স্বীকার করেন। এছাড়াও প্রতিবেদক কে চায়ের আমন্ত্রণ জানান।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ফজলুল রহমান প্রতিবেদককে জানান, যারা সন্ত্রাস চাঁদাবাজির সাথে জড়িত তাদের দলে কোন জায়গা নেই। এছাড়াও যারা চাকরিতে কর্মরত আছে তারাও মূল পদে আসতে পারবেনা। অনেকেই অনেক পরিচয় আমাদের কাছে গোপন রেখে সিভি দিয়েছে। আমরা সবার খোঁজ খবর নিচ্ছি। যারা মূলধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ঠিক তারাই কমিটিতে থাকবে বলে জানান এই নেতা।

নিউজটি শেয়ার করুন