ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৮ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
Logo ঝিনাইগাতীতে বন্য হাতির আক্রমনে কৃষক আহত Logo ”স্মৃতিতে রবে চিরদিন ” (সালমান শাবনূর অমর জুটি) Logo শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষি ঋণ মেলা অনুষ্ঠিত Logo ডোমারে রুপসা ট্রেনের সাথে মিতালী ইঞ্জিনের মুখোমুখি সংর্ঘষ Logo আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে বই বিতরন অনুষ্ঠিত হয় Logo দিনাজপুরে সড়কে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর Logo টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তি মেলা অনুষ্ঠিত Logo সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পদক পেলেন মোজাম্মেল হোসেন বাবু Logo কালিহাতিতে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছে হামিদপুরের ব্যাটারী বাবলু সাহা Logo দিনাজপুরের বিরলে পূর্ণ ভবা নদীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার চার দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ
বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

শরীয়তপুর ভাটার ইটের সাইজ ছোট এবং দাম বৃদ্ধি ক্রেতারা ঠকতেছে হাজারে ২৮৪ ইট

আবুআলমঃ বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪২০ বার পড়া হয়েছে

আবুআলমঃ বিশেষ প্রতিনিধি

শরীয়তপুর জেলায় ৬টি উপজেলায় সর্ব মোট ইটের ভাটা রয়েছে ৫৯ টি সদর উপজেলায় ২১টি ,জাজিরায় ১২টি ,নড়িয়ায় ৯টি ,গোসাইর হাট ৮টি,ভেদর গঞ্জ ৬টি এবং ডামড্যায় ৩টি ইটের ভাটা রয়েছে ।
শরীয়তপুর এই সব গুলো ইটের ভাটায় চলছে একের পর এক অনিয়ম এবং দূর্নীতি
১)ইটের সাইজ ছোট ২)দাম বৃদ্ধি ৩)ফসলি জমির মাটি উপরের অংশ কেটে নেয়া ৪)সরকার অনুমোদিত কাগজ না থাকা ৫)পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা ।
৬) ট্রেড লাইসেন্স না থাকা

দু’চারটার ভাটার কাগজ পত্র থাকলে ও
সম্পূর্ন কাগজ পত্র তাদের নেই , অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদ এর কাগজ পত্র ব্যবহার করে থাকেন ।
শরীয়তপুর প্রতি হাজার ইটের দাম ১৩/১৪ হাজার টাকা প্রতি বছর হাজারে ৩/৪ হাজার টাকা করে বাড়ছে আর ইটের সাইজ
আকারে কমে আসতেছে ।
প্রতি হাজারে ইট কমতেছে ২৮৪ টি ঠকাচ্ছেন ইট ভাটার মালিক পক্ষ যাদের বিরোধে অভিযোগ রয়েছেন ।

এ সব ভাটার ইট আকারে অনেক ছোট, প্রত্যেকটি ইটের ভাটায় প্রস্তুত ইটের সাইজ দৈর্ঘ্য ২২ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ৯ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতায় ৫ সেন্টিমিটার। সরকারি বিধি মোতাবেক প্রতিটি ইটের সাইজ হবে দৈর্ঘ্য ২৪ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ১১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতায় ৭ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ প্রত্যেকটি ইটে সব সাইটে কমপক্ষে ২ সেন্টিমিটার কম রয়েছে।

এদিকে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ এসব অবৈধ ইটভাটা থেকে শতভাগ রাজস্ব আদায় করছে। কিন্তু আবেদন করেও মালিকরা কোনো অনুমোদন পাচ্ছেন না বছরের পর বছর। চলতি বছর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার নামে এবার প্রতি হাজার ইটের দাম বাড়ানো হয়েছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা।

সরকারিভাবে বিভিন্ন দিবস পালনের ব্যয় মেটাতে এসব ভাটা মালিক তাদের সমিতির মাধ্যমে ভূমিকা পালন করেন বলে ভাটা মালিকদের দাবি। অবৈধ হলেও ভাটাগুলো থেকে প্রতি বছর সরকারিভাবে আদায় করা হচ্ছে রাজস্ব। এ সব অনিয়ম থাকার পরও শরীয়তপুরের প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
শরীয়তপুর ক্রেতাদের নিয়ম মাফিক ইট পাওয়ার ক্ষেত্রে ইটভাটায় যাদের তদারকি করার কথা সেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে নির্বিকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শরীয়তপুর ভাটার ইটের সাইজ ছোট এবং দাম বৃদ্ধি ক্রেতারা ঠকতেছে হাজারে ২৮৪ ইট

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

আবুআলমঃ বিশেষ প্রতিনিধি

শরীয়তপুর জেলায় ৬টি উপজেলায় সর্ব মোট ইটের ভাটা রয়েছে ৫৯ টি সদর উপজেলায় ২১টি ,জাজিরায় ১২টি ,নড়িয়ায় ৯টি ,গোসাইর হাট ৮টি,ভেদর গঞ্জ ৬টি এবং ডামড্যায় ৩টি ইটের ভাটা রয়েছে ।
শরীয়তপুর এই সব গুলো ইটের ভাটায় চলছে একের পর এক অনিয়ম এবং দূর্নীতি
১)ইটের সাইজ ছোট ২)দাম বৃদ্ধি ৩)ফসলি জমির মাটি উপরের অংশ কেটে নেয়া ৪)সরকার অনুমোদিত কাগজ না থাকা ৫)পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা ।
৬) ট্রেড লাইসেন্স না থাকা

দু’চারটার ভাটার কাগজ পত্র থাকলে ও
সম্পূর্ন কাগজ পত্র তাদের নেই , অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদ এর কাগজ পত্র ব্যবহার করে থাকেন ।
শরীয়তপুর প্রতি হাজার ইটের দাম ১৩/১৪ হাজার টাকা প্রতি বছর হাজারে ৩/৪ হাজার টাকা করে বাড়ছে আর ইটের সাইজ
আকারে কমে আসতেছে ।
প্রতি হাজারে ইট কমতেছে ২৮৪ টি ঠকাচ্ছেন ইট ভাটার মালিক পক্ষ যাদের বিরোধে অভিযোগ রয়েছেন ।

এ সব ভাটার ইট আকারে অনেক ছোট, প্রত্যেকটি ইটের ভাটায় প্রস্তুত ইটের সাইজ দৈর্ঘ্য ২২ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ৯ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতায় ৫ সেন্টিমিটার। সরকারি বিধি মোতাবেক প্রতিটি ইটের সাইজ হবে দৈর্ঘ্য ২৪ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ১১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতায় ৭ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ প্রত্যেকটি ইটে সব সাইটে কমপক্ষে ২ সেন্টিমিটার কম রয়েছে।

এদিকে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ এসব অবৈধ ইটভাটা থেকে শতভাগ রাজস্ব আদায় করছে। কিন্তু আবেদন করেও মালিকরা কোনো অনুমোদন পাচ্ছেন না বছরের পর বছর। চলতি বছর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার নামে এবার প্রতি হাজার ইটের দাম বাড়ানো হয়েছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা।

সরকারিভাবে বিভিন্ন দিবস পালনের ব্যয় মেটাতে এসব ভাটা মালিক তাদের সমিতির মাধ্যমে ভূমিকা পালন করেন বলে ভাটা মালিকদের দাবি। অবৈধ হলেও ভাটাগুলো থেকে প্রতি বছর সরকারিভাবে আদায় করা হচ্ছে রাজস্ব। এ সব অনিয়ম থাকার পরও শরীয়তপুরের প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
শরীয়তপুর ক্রেতাদের নিয়ম মাফিক ইট পাওয়ার ক্ষেত্রে ইটভাটায় যাদের তদারকি করার কথা সেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে নির্বিকার।

নিউজটি শেয়ার করুন